ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে কৃষকদল নেতা তরু মিয়ার মৃত্যু। মরদেহ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, অন্যদিকে মৃত্যুটি স্ট্রোকজনিত বলে দাবি জামায়াতের। ৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা।
ঝিনাইদহে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হওয়ার অভিযোগে কৃষকদল নেতা তরু মিয়ার মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে। সেখানে জামায়াতের মহিলা শাখার একটি ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াত কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যাতে অন্তত আটজন আহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তরু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
এই ঘটনায় নিহতের ছেলে শীপন মিয়া বাদী হয়ে শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর থানায় ৫১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতারা দাবি করেছেন, তরু মিয়ার মৃত্যু হয়েছে স্ট্রোকজনিত কারণে। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ:
এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হচ্ছে।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল শেখ জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...