নিউজ টাইম
১০ মার্চ, ২০২৬ দুপুর ০৩:৪৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তোফাজ্জল হোসেন নির্যাতনের আগে ভাত খাওয়ানো হয়। ফাইল ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তোফাজ্জল হোসেন নির্যাতনের আগে ভাত খাওয়ানো হয়। ফাইল ফটো

তোফাজ্জল হত্যা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের চার্জশিট গ্রহণ। পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার আদালত। পড়ুন বিস্তারিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া পিবিআইয়ের (PBI) অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলায় পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, পিবিআইয়ের দেওয়া এই অভিযোগপত্রে মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ প্রথমে নারাজি দেওয়ার কথা বললেও পরে তা জমা দেননি। ফলে আদালত ২৮ আসামির বিরুদ্ধেই চার্জশিট গ্রহণ করেন।


আরো পড়ুন: লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার


বর্তমানে এই মামলার আসামিদের মধ্যে:


কারাগারে আছেন: জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া।

জামিনে আছেন: আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল ও শেখ ওয়াজিবুল আলম।

পলাতক: বাকি ২২ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটে। ৩২ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে হলের অতিথি কক্ষে আটকে রাখা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তাকে মারধরের আগে ভাত খাওয়ানো হচ্ছে। পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


শুরুতে শাহবাগ থানা পুলিশ ২১ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলেও তদন্তে ‘অসন্তোষ’ জানিয়ে নারাজি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর আদালত পিবিআইকে পুনর্তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই গত ১৫ ডিসেম্বর নতুন আরও সাতজনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।


বরগুনার পাথরঘাটার সন্তান তোফাজ্জল হোসেন বরিশাল বিএম কলেজ থেকে মাস্টার্স করলেও মানসিক সমস্যার কারণে কাজ করতে পারছিলেন না। তার ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা সে সময় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ...
  • ৭৪

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

logo

প্রকাশক :

কাউসার আহমেদ অপু
যোগাযোগ করুন

অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯

ই-মেইল : info@newstime.net

আমাদের অনুসরণ করুন
২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...