profile
নিউজ টাইম
২২ জানুয়ারী, ২০২৬ রাত ০৯:৫১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলসহ ৪৩ জনের নামে দুদকের মামলা।
রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলসহ ৪৩ জনের নামে দুদকের মামলা।

রূপায়ণ হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ও সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ-দৌলাসহ ৪৩ জনের নামে দুদকের মামলা। সরকারি জমি ও ভাওয়াল এস্টেটের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ।

সরকারি খাস জমি, ভাওয়াল এস্টেটের সম্পত্তি এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার আসামিদের তালিকায় আলোচিত সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ-দৌলা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার নাম রয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফিয়া খাতুন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।


দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, রূপায়ণ হাউজিং রাজউকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং জাল রেকর্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ভূমি আত্মসাৎ করেছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য অনিয়মগুলো হলো:


জমির ভুয়া তথ্য: রূপায়ণ হাউজিং রাজউকের ৫টি ধাপে মোট ৪১.৫৪৮ একর জমির ওপর বিশেষ প্রকল্পের অনুমোদন পেলেও তাদের বৈধ কাগজপত্র ছিল মাত্র ১৬.৩২ একরের। বাকি ২৫.২২৮ একর জমির কোনো বৈধ নথি তারা দেখাতে পারেনি।

সরকারি জমি দখল: মহানগর জরিপের ৪ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২.৩৫ একর ‘ভাওয়াল রাজ এস্টেট’-এর সম্পত্তি এবং রানাভোগ মৌজার খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমি প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের দখলে নিয়েছে। এমনকি ড্যাপ নির্ধারিত ৬০ ফুট রাস্তাও তারা সীমানার ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়েছে।

আদালতের আদেশ অমান্য: আদালতের স্থিতিবস্থা থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে রাজউক থেকে নকশা অনুমোদন করিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগকারীকে ১৯২ কোটি টাকা পরিশোধের আদালতের নির্দেশও তারা অমান্য করেছে।


মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন: ১. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল (চেয়ারম্যান, রূপায়ণ হাউজিং) ২. রোকেয়া বেগম নাসিমা (পরিচালক ও চেয়ারম্যানের স্ত্রী) ৩. মাহির আলী খাঁন রাতুল (পরিচালক ও চেয়ারম্যানের পুত্র) ৪. রোকন উদ-দৌলা (সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ও রাজউকের তৎকালীন পরিচালক-আইন) ৫. জিয়াউল হাসান (এনডিসি) (রাজউকের তৎকালীন সদস্য-পরিকল্পনা) সহ রাজউকের বিভিন্ন স্তরের অথরাইজড অফিসার, নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী ও পরিদর্শকবৃন্দ।


আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুয়া রেকর্ড দাখিল করে প্ল্যান পাস এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ...
  • ৭৬

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

logo

প্রকাশক :

কাউসার আহমেদ অপু
যোগাযোগ করুন

অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯

ই-মেইল : info@newstime.net

আমাদের অনুসরণ করুন
২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...