নাসার ঐতিহাসিক ‘আর্টেমিস-২’ মিশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর চাঁদের চারপাশ ঘুরে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন নাসার চার নভোচারী।
৫০ বছরেরও বেশি সময় পর চাঁদের চারপাশ ঘুরে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন নাসার চার নভোচারী। নাসার ঐতিহাসিক ‘আর্টেমিস-২’ মিশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৭ মিনিটে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে সফলভাবে স্প্ল্যাশডাউন করে।
প্রায় ১০ দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় অংশ নিয়েছেন নাসার তিন এবং কানাডার এক নভোচারী:
রিড ওয়াইজম্যান (মিশন কমান্ডার)
ভিক্টর গ্লোভার
ক্রিস্টিনা কখ
জেরেমি হ্যানসেন (কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি)
চাঁদ থেকে ফেরার পথে মহাকাশযানটিকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় এক অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় যানটির তাপমাত্রা প্রায় ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায় এবং প্রায় ১৩ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে সব বাধা পেরিয়ে প্যারাশুট ব্যবস্থা সফলভাবে কাজ করায় যানটি সমুদ্রে নিরাপদে অবতরণ করে।
মিশন কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান বলেন, “আমাদের হৃদয়ে ছিল একটি আশা—যেন কিছুক্ষণের জন্য হলেও পৃথিবী থেমে যায় এবং মনে হয় যে এটি মহাবিশ্বের এক বিশেষ সুন্দর গ্রহ।”
নাসা এই মিশনটিকে ভবিষ্যতে চাঁদের পৃষ্ঠে মানুষ অবতরণের (আর্টেমিস কর্মসূচির পরবর্তী ধাপ) জন্য একটি বড় প্রযুক্তিগত পরীক্ষা হিসেবে দেখছে। লকহেড মার্টিন নির্মিত ওরিয়ন মহাকাশযানের তাপীয় ঢাল (Heat Shield), ন্যাভিগেশন এবং জীবন-সহায়ক সিস্টেমের প্রাপ্ত তথ্যগুলো এখন বিশ্লেষণ করবে নাসা।
এই ঐতিহাসিক সাফল্যের মধ্য দিয়ে মানবজাতি আবারও গভীর মহাকাশ গবেষণার নতুন এক যুগে প্রবেশ করল।
সূত্র: আল জাজিরা
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...