বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ শেষে শুরু হলো নির্বাচনী প্রচার। ৯ এপ্রিল ব্যালটে ভোট। প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া বগুড়ার আসনে লড়ছেন রেজাউল করিম বাদশা। পড়ুন বিস্তারিত।
আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে বগুড়া ও শেরপুরে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সোমবার (১৬ মার্চ) থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণায় নামছেন প্রার্থীরা। আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) রিটানির্ং অফিসাররা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নির্বাচনী তোড়জোড়।
আরো পড়ুন: র্যাব বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি
শেরপুর-৩: ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস
শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে মূলত তিনজন প্রার্থী লড়ছেন। রিটানির্ং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন:
বিএনপি: মো. মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ)
জামায়াতে ইসলামী: মো. মাসুদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)
বাসদ (মার্কসবাদী): কাঁচি প্রতীক নিয়ে এক প্রার্থী।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের সময় জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে এই আসনে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল।
বগুড়া-৬: প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া আসনে উপ-নির্বাচন
বগুড়া-৬ আসনটি দেশজুড়ে আলোচিত, কারণ এখান থেকে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে আইন অনুযায়ী ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি তিনি ছেড়ে দিলে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন:
বিএনপি: মো. রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ)
জামায়াতে ইসলামী: মো. আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি: ফুলকপি প্রতীক।
রিটানির্ং অফিসার মো. ফজলুল করিম জানিয়েছেন, উপ-নির্বাচনের পরিবেশ বর্তমানে অত্যন্ত সন্তোষজনক।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...