কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারীকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে। দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে ১৬০ কেজি গাঁজা বিক্রির অভিযোগ।
মাদক কারবারিদের কাছ থেকে ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে তা গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার মারাত্মক অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক জরুরি অফিস আদেশে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার এই আকস্মিক অ্যাকশনের পর পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে—দাউদকান্দি মডেল থানার দুজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ (১৬০ কেজি) গাঁজা উদ্ধার করে তা থানায় রেকর্ড না দেখিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। গত সোমবার সন্ধ্যায় এই খবরটি এলাকায় জানাজানি হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছেন প্রত্যাহার হওয়া ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারী (এম এ বারী)। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী—একটি পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তাঁর বিরুদ্ধে এই অন্যায্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন।
এদিকে ওসির এই শাস্তিমূলক বদলি ও মাদক গায়েবের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার এবং দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে জেলা পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...