টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি! কক্সবাজারের ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্ড। পাহাড় ধস ও ঢলে বান্দরবানের থানচি ও রুমায় আটকা পড়েছেন কয়েকশ পর্যটক।
টানা অতিভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে দেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারের ৮টি উপজেলার অন্তত ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে পাহাড়ি সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং পাহাড় ধসের কারণে বান্দরবানের থানচি, রুমা ও আলীকদমে কয়েকশ পর্যটক আটকা পড়েছেন।
কক্সবাজারে বন্যা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জলমগ্নতা:
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কক্সবাজারে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে পেকুয়া, চকরিয়া, উখিয়া ও টেকনাফের নিম্নাঞ্চলসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বেশ কিছু ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। কুতুবদিয়ায় পানির তোড়ে একটি সংযোগ সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন উপকূলের স্লুইসগেটগুলো খুলে দিয়েছে এবং পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে।
বান্দরবানে পাহাড় ধস ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি:
এদিকে বান্দরবানের মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় লামা-আলীকদম সড়কে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রুমা-বগালেক সড়কে বড় ধরনের পাহাড় ধস হওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ থমকে গেছে। থানচির সাঙ্গু নদীর উজানে হঠাৎ পানি বাড়ায় তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম এলাকায় প্রায় দেড় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন এসব এলাকায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এছাড়া কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...