নিউজ টাইম
১০ মার্চ, ২০২৬ দুপুর ০৩:২০

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ডার্ক ইগল হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র।প্রতীকী ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ডার্ক ইগল হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র।প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র 'ডার্ক ইগল'। শব্দের চেয়ে ৫ গুণ গতিতে ২৭৭৬ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম এই মারণাস্ত্র। জানুন এর আদ্যোপান্ত।

প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির লড়াইয়ে এক বৈপ্লবিক সংযোজন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘ডার্ক ইগল’ (Dark Eagle)। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো এই ব্যবস্থা মোতায়েন করার পর বিশ্বজুড়ে সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। মূলত রাশিয়া ও চীনের হাইপারসোনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিতেই যুক্তরাষ্ট্র এই বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করেছে।


‘ডার্ক ইগল’ কোনো সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়। এর গতির কাছে বর্তমান বিশ্বের প্রচলিত অধিকাংশ রাডার ব্যবস্থা কার্যত অচল। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:


অকল্পনীয় গতি: এটি শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে।

বিশাল পাল্লা: এর রেঞ্জ প্রায় ১৭২৫ মাইল (প্রায় ২৭৭৬ কিলোমিটার)। অর্থাৎ কয়েক হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুকে এটি মাত্র কয়েক মিনিটে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম।

অজেয় প্রতিরক্ষা: এর তীব্র গতির কারণে শত্রুপক্ষের বর্তমান কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষেই একে মাঝপথে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।


সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্দিষ্ট ও অনুমেয় কক্ষপথ অনুসরণ করে। কিন্তু ‘ডার্ক ইগল’ বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পৌঁছে নিজের গতিপথ পরিবর্তন বা ম্যানুভার (Maneuver) করতে পারে। এটি একটি ‘কমন হাইপারসোনিক গ্লাইড বডি’ বহন করে, যা বুস্টার রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর লক্ষ্যবস্তুর দিকে এঁকেবেঁকে অগ্রসর হয়। ফলে শত্রুপক্ষ এর পরবর্তী অবস্থান আগে থেকে অনুমান করতে পারে না, যা একে একটি ‘ডিফেন্স নাইটমেয়ার’ বা দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।


ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে পেন্টাগন। মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডার্ক ইগলের মূল উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘ দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে আঘাত হানা। এটি এমন এক মারণাস্ত্র যা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়কে কমিয়ে দেয় এবং যুদ্ধের মোড় মুহূর্তেই ঘুরিয়ে দিতে পারে।


সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ...
  • ৭২

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

logo

প্রকাশক :

কাউসার আহমেদ অপু
যোগাযোগ করুন

অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯

ই-মেইল : info@newstime.net

আমাদের অনুসরণ করুন
২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...