যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ৫৬টি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানে ১৯টি ও কুর্দিস্তানে ১২টি স্থাপনায় গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির দাবি ইরানের। পড়ুন বিস্তারিত।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে কেবল জানমালেরই ক্ষতি হচ্ছে না, বরং দেশটির হাজার বছরের প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও এখন হুমকির মুখে। ইরান সরকারের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটির অন্তত ৫৬টি সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসনার (ISNA) বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরানের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনাদি। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে রাজধানী তেহরান। সেখানে অন্তত ১৯টি ঐতিহাসিক স্থাপনা হামলার মুখে পড়ে ‘গুরুতর ক্ষতির’ শিকার হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, তেহরানের বাইরে ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। সেখানে অন্তত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই হামলাকে ইরানের অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর ‘বড় ধরনের আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিক নিদর্শনে হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। ইরানের দাবি সত্য হলে এটি দেশটির ইতিহাসের বড় ধরনের অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে গণ্য হবে। বিশেষ করে পারস্য সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শনগুলো ধ্বংস হওয়া বিশ্ব ঐতিহ্যের জন্যও উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরো পড়ুন: যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখন অপ্রাসঙ্গিক: ইসমাইল বাঘাই
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...