ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৪৩০, নিখোঁজ ৫১ হাজার মানুষ। ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ায় নিভে যাচ্ছে জীবিত উদ্ধারের আশা; আরাগুয়ায় নতুন আঘাত।
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী জোড়া ভূমিকম্পের তিন দিন পর নিহতের সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫১ হাজার মানুষ এবং সময় পার হওয়ার সাথে সাথে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকাদের জীবিত উদ্ধারের আশা দ্রুত ক্ষীণ হয়ে আসছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই লোমহর্ষক ও বেদনাদায়ক তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বড় ধাক্কা ‘৭২ ঘণ্টার উইন্ডো’ এবং নতুন ভূমিকম্প:
৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ: সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে, জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ “৭২ ঘণ্টার গোল্ডেন উইন্ডো” প্রায় শেষ। বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধারকর্মীর তীব্র সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছেন। এ পর্যন্ত মাত্র ২৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।
আরাগুয়ায় তৃতীয় আঘাত: বুধবারের মূল মেগা কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার দেশটির আরাগুয়া অঞ্চলে ৪.৮ মাত্রার আরেকটি নতুন ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে নতুন করে বড় ক্ষয়ক্ষতি না হলেও চরম আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন।
ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ, বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি:
ভূমিকম্পের পর পুরো দেশে বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় কেউ কারও খোঁজ পাচ্ছেন না। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) অনুমান করছে—এই মেগা দুর্যোগে ভেনেজুয়েলার সরাসরি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪.৭ থেকে ৮.৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সতর্ক করে জানিয়েছে, রাজধানী কারাকাসের ২০ লাখ মানুষসহ দেশটির প্রায় ৬.৭৬ মিলিয়ন মানুষ সরাসরি এই ভয়াবহ দুর্যোগের কবলে পড়েছেন। সরকার পূর্ণ শক্তিতে খাদ্য ও পানি বিতরণের দাবি করলেও স্থানীয়রা একে প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল বলে অভিযোগ করেছেন।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...