গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সাথে খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতে হামলায় একই পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আবারো ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। একদিনের এই ধারাবাহিক হামলায় অন্তত ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা। নিহতদের মধ্যে বড় একটি অংশই নারী ও শিশু।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোররাত থেকে গাজার উত্তর ও দক্ষিণাংশের বিভিন্ন এলাকায় এই তান্ডব চালায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার।
ভয়াবহতার চরম চিত্র দেখা গেছে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায়। সেখানে বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত একটি তাঁবুতে হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে একই পরিবারের সাতজন সদস্য প্রাণ হারান।
গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি আবাসিক ভবনে চালানো হামলায় তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুদের নিথর দেহ বের করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, আগের দিন হামাসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, রাফাহর পূর্বাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় লুকিয়ে থাকা সশস্ত্র সদস্যদের লক্ষ্য করেই এই বিমান হামলা।
অন্যদিকে, হামাস এই হামলাকে ‘গণহত্যামূলক আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটি অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর ও কাতার সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১ হাজারেরও বেশি। হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, নিহতের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...