মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশ ন্যাপের শ্রদ্ধা। স্বাধীনতার ইতিহাসে ভাসানীর অনস্বীকার্য অবদান নিয়ে জেবেল রহমান গানির বিবৃতি।
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস রচনা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ। দলটির শীর্ষ নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যারা ইতিহাস থেকে ভাসানীকে মুছে ফেলতে চায়, তারাই একদিন ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দলটির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
বিবৃতির মূল বক্তব্যসমূহ:
ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ: ন্যাপ নেতারা বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন এই মাটির কৃষক চেতনার ধারক। তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। ভাসানীর বাংলাদেশে কোনো অপশক্তির ঠাঁই হবে না।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে ‘খামোশ’: বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে শাসকগোষ্ঠীর গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও লুটেরাদের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানীর সেই তেজস্বী ‘খামোশ’ উচ্চারণ জাতি আজও শুনতে চায়। তিনি ছিলেন মেহনতি মানুষের ‘লাল মওলানা’ এবং শোষিতের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।
গণতান্ত্রিক সংকটে ভাসানীর প্রাসঙ্গিকতা: স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সংকট উত্তরণে মওলানা ভাসানীর আদর্শকে বড় বেশি প্রয়োজন বলে মনে করে বাংলাদেশ ন্যাপ। তারা বলেন, জনগণের ঐক্য গড়ে তোলা এবং যোগ্য লোককে সংসদে পাঠানোর যে ডাক ভাসানী দিয়েছিলেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মওলানা ভাসানী কেবল একটি নাম নন, তিনি একটি আদর্শ। কৃষক-শ্রমিক ও মজলুম মানুষের হৃদয়ে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য তাঁর আপোসহীন সংগ্রাম বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...