এলপিজি খাতে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ের ভ্যাট তুলে দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ৭.৫% ভ্যাট নির্ধারণ করেছে সরকার। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস সংযোগ রোধে নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতের কর কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। এখন থেকে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ের ভ্যাট এবং অগ্রিম কর তুলে দিয়ে শুধুমাত্র আমদানি পর্যায়ে এককভাবে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
আগে এলপিজি খাতে তিন স্তরের কর ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এটি সহজ করা হয়েছে:
আগের নিয়ম: উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানির সময় ২ শতাংশ অগ্রিম কর দিতে হতো।
নতুন নিয়ম: উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ের ভ্যাট এবং আমদানির অগ্রিম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরিবর্তে আমদানি পর্যায়ে এককভাবে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ব্রিফিংয়ে জানান, কর আদায় প্রক্রিয়া সহজ করা এবং খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমাতেই এই কর কাঠামো সরলীকরণ করা হয়েছে। এতে এলপিজি ব্যবসায় স্বচ্ছতা ফিরবে।
একই বৈঠকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও গ্যাস চুরি রোধে ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশে অপরাধের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে:
শুধু অবৈধ সংযোগই নয়, ঠিকাদার বা অন্য কারও সহায়তায় বেআইনিভাবে গ্যাস ব্যবহারকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
মিটারযুক্ত ও নন-মিটার গ্রাহকদের জন্য পৃথক দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভবনের মালিক এবং গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অসাধু কর্মচারীদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে।
সংশোধিত আইনে গ্রাহকসেবা সহজ করতে একটি বড় বাধা দূর করা হয়েছে। এখন থেকে গ্যাস সংযোগ নেওয়ার পর লোড ম্যানেজমেন্ট বা মিটার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আর গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অনুমতির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না। এই অনুমতির বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ায় গ্রাহক সেবা আরও দ্রুত হবে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...