এনইআইআর (NEIR) চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় জামিন নামঞ্জুর
মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় ৪৫ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহান এই আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃতদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করে আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্টার (NEIR) সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়। এই ব্যবস্থার প্রতিবাদে ওই দিন প্রায় ৫০০-৬০০ জন বিক্ষোভকারী আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ভবনের বাইরের কাচের দেয়াল এবং সামনে থাকা একটি এসি স্টাফ বাস ব্যাপক ভাঙচুর করে। সরকারি কাজে বাধা ও সম্পদ নষ্ট করার অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো ৪৫ জনের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহজাহান, অপূর্ব ইসলাম, শরিফুল ইসলাম নিলয়, জাহিদ হাসান হৃদয়, শাহেদ ভূইয়া, বুলবুল আহমেদ, দীপক হাজরা, এস এম মতিউর রহমানসহ আরও অনেকে। তাঁদের অধিকাংশের বয়স ১৯ থেকে ৪৮ বছরের মধ্যে।
বিটিআরসি মূলত অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেট বন্ধ এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর (NEIR) সিস্টেম চালু করেছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে নিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ছাড়া অন্য কোনো হ্যান্ডসেটে সিম কার্ড কাজ করবে না বলে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পক্ষ-বিপক্ষে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সরকারি সম্পত্তিতে হামলাকে আইনত অপরাধ হিসেবে দেখছে পুলিশ।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...