১ লাখ পিস ইয়াবা যা প্রায় কোটি টাকার উপরে যেগুলো গায়েব ও আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছে সিএমপি।
জব্দকৃত কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান ও মাদক কারবারিকে মামলা না দিয়ে আড়াল করার অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ঐতিহ্যবাহী কোতোয়ালি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। বুধবার রাতে সিএমপির এক জরুরি আদেশে তাকে থানা থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইন্স আর-ও (Line-R)-তে সংযুক্ত করা হয়।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক, প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরী কোতোয়ালি থানার ওসির প্রত্যাহারের বিষয়টি গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহারের পর কোতোয়ালি থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুল নূরের নাম সিএমপির অভ্যন্তরে জোর গুঞ্জনে রয়েছে।
সিএমপির অভ্যন্তরীণ নথিসূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় এক পুলিশ সদস্যের হেফাজত থেকে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন কোতোয়ালি থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের সরাসরি নির্দেশে উদ্ধার হওয়া সেই বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালানটি জব্দ তালিকায় না দেখিয়ে সম্পূর্ণ আত্মসাৎ করা হয় এবং ইয়াবাবহনকারীকে কোনো প্রকার আইনি ব্যবস্থা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উচ্চপর্যায়ের এক তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াবা গায়েব ও আত্মসাতের এই রোমহর্ষক ঘটনার সত্যতা উঠে আসে এবং সেখানে ওসি আফতাবকে সরাসরি দায়ী করা হয়।
পরবর্তীতে সিএমপির তৈরি করা সেই তদন্ত প্রতিবেদনটি গত ২৯ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হলেও দীর্ঘদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে বুধবার রাতে সিএমপি সদর দপ্তরের এক বিশেষ অ্যাকশনে কোতোয়ালি থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হলো।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...