বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ৬৫-৭০ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্তের অভিযোগ। বিচার ও পুনর্বহালের দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে দুই কর্মকর্তার আমরণ অনশন ৩য় দিনে। বিস্তারিত পড়ুন।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন পালন করছেন প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মকর্তা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) তাদের এই কর্মসূচি টানা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। গত শনিবার দুপুর ২টা থেকে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ
অনশনরত দুই কর্মকর্তা হলেন— ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সহ-পরিচালক তৌকির আহাম্মেদ এবং কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক। তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের ১৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে অন্তত ৬৫ থেকে ৭০ জনকে কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই বরখাস্ত করা হয়েছে। অথচ গত মাসেই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী নতুন করে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন।
মানবেতর জীবনযাপন ও দাবি
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে কর্মরত থাকা সহ-পরিচালক তৌকির আহাম্মেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটি ভালোভাবে চালানোর কথা বলায় আমাদের ভাগ্য জোটে বরখাস্ত। চাকরি হারিয়ে এখন আমরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছি।”
অনশনরত কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আমরণ অনশন অব্যাহত থাকবে।”
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেশের একটি অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন প্রতিষ্ঠান। তবে সাম্প্রতিক এই গণ-ছাঁটাই এবং দুর্নীতির অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তির সামনে বড় প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়েছে। বিশেষ করে যখন প্রধানমন্ত্রী আজই যশোরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে মিলে শিশুদের বইমুখী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন, তখন এই আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...