লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর ড্রোজ হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহতের পর যুদ্ধবিরতি এখন অনিশ্চয়তায়। বিস্তারিত পড়ুন আন্তর্জাতিক এই প্রতিবেদনে।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১৬ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) লেবাননের দক্ষিণ অংশে ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৭ জন। সোমবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর আস্তানা এবং সদস্যদের লক্ষ্য করে এই ‘আর্টিলারি ও বিমান হামলা’ চালিয়েছে। আইডিএফ-এর দাবি, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এর আগে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং ৬ জন আহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক সরকারি সভায় মন্তব্য করেছেন যে, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডের ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘ভেঙে পড়ছে’। তিনি সাফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লেবাননের সাথে হওয়া চুক্তি মেনেই ইসরায়েল যেকোনো ‘আসন্ন হুমকি’ নস্যাৎ করার পূর্ণ স্বাধীনতা রাখে এবং আইডিএফ এখন পূর্ণ শক্তি দিয়ে কাজ করছে।
গত ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি গত বৃহস্পতিবার আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। তবে যুদ্ধের দামামা থামেনি। নতুন করে নিহতের সংখ্যা যোগ হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে লেবাননে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে।
সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রবিবার পাকিস্তানে গিয়েছেন এবং সেখান থেকে তার ওমান ও রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শান্তি আলোচনার একটি রূপরেখা তৈরি করতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২২ মে পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে আলোচনার পথ খোলা রেখেছিলেন।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...