গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে কী করবেন আর কী করবেন না? জেনে নিন ভাত, কলা ও লেবুর রসসহ দ্রুত কাঁটা নামানোর ৭টি সহজ ঘরোয়া উপায়।
ভোজনরসিক বাঙালিদের পাতে মাছ থাকবেই। তবে মাছ খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত গলায় কাঁটা আটকে যাওয়ার ঘটনা খুবই সাধারণ। সাধারণত রুই, ইলিশ, তেলাপিয়া বা পুঁটি মাছের আধা থেকে ৩ সেন্টিমিটার সাইজের ছোট কাঁটাগুলোই গলায় বা জিবের গোড়ায় বেশি আটকায়। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে অমনোযোগী হয়ে তাড়াহুড়ো করে খাওয়ার কারণে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এছাড়া শিশু, বয়স্ক ও নকল দাঁত ব্যবহারকারীরা কাঁটা ফোটার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন।
গলায় কাঁটা আটকে গেলে দ্রুত যা করবেন:
সাদা ভাত বা কলা: ভাতের ছোট দলা চিবানো ছাড়া গিলে ফেললে বা পিচ্ছিল পাকা কলা খেলে কাঁটা দ্রুত নিচে নেমে যায়।
জোরে কাশি দেওয়া: কাঁটা যদি জিবের ঠিক পেছনে আটকে থাকে, তবে কয়েকবার জোরে কাশি দিলে তা বের হয়ে আসে।
অলিভ অয়েল ও লেবুর রস: অলিভ অয়েল গলা পিচ্ছিল করে এবং লেবু বা ভিনেগারের অ্যাসিডিক গুণ কাঁটা নরম করে নামিয়ে দেয়।
লবণপানির গড়গড়া: হালকা কুসুম গরম লবণপানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার মাংসপেশি রিলাক্স হয়ে কাঁটা আলগা হয়।
ক্র্যাকার্স বা চিপস: অনেক সময় শক্ত চিপস একসাথে চিবিয়ে গিললে তার চাপে কাঁটা নেমে যায়।
ভুলেও যা করা যাবে না:
১. কাঁটা বের করার জন্য গলার ভেতরে হাত দিয়ে বেশি হাতানো বা খোঁটাখুঁটি করা যাবে না।
২. কাঁটা না নামা পর্যন্ত গলার নড়াচড়া (মুভমেন্ট) যতখানি সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে।
৩. বিড়ালের পা ধরে মাফ চাওয়ার মতো কুসংস্কার বা কবিরাজ-ঝাড়ফুঁকের কাছে গিয়ে বিপদ বাড়ানো যাবে না।
ঘরোয়া উপায়ে কাজ না হলে এবং তীব্র ব্যথা, গলা ফুলে যাওয়া, রক্ত আসা, অতিরিক্ত লালা ঝরা, বুক ব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট ও খাবার গিলতে মারাত্মক কষ্ট হলে সকাল হওয়ার অপেক্ষা না করে রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...