ঢাকা-৮ আসনে হারলেও উচ্চকক্ষে (সিনেট) যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। ভোটের শতাংশের ভিত্তিতে এনসিপি পেতে পারে ৩টি আসন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হেরে গেলেও সংসদে যাওয়ার পথ বন্ধ হচ্ছে না এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি)-র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী গঠিতব্য উচ্চকক্ষে (সিনেট) তাঁর যাওয়ার সম্ভাবনা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
জুলাই সনদের সংস্কার অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্র কাঠামোতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ বা সিনেট থাকবে। যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের শতাংশের ভিত্তিতে সদস্য মনোনীত করতে পারবে।
এনসিপির প্রাপ্ত ভোট: ৩.২১ শতাংশ (২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট)।
প্রাপ্য আসন: এই অনুপাত অনুযায়ী উচ্চকক্ষে এনসিপি অন্তত ৩টি আসন পেতে যাচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, এই ৩টি আসনের তালিকায় সবার ওপরেই রয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর নাম। যদিও একটি শর্ত রয়েছে— তিনি যদি ঢাকা উত্তর বা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আসন্ন মেয়র নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবেই উচ্চকক্ষের পদ ছাড়তে পারেন।
ঢাকা-৮ আসনে এবার ছিল সারা দেশের নজর। ইসি সূত্র অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস মোট ৫৯,৩৬৬ ভোট (পোস্টালসহ) পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৫৪,১২৭ ভোট (পোস্টালসহ)। মাত্র ৫ হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানে হারলেও পাটোয়ারীর এই প্রাপ্ত ভোট এনসিপিকে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব করার শক্তিশালী ভিত তৈরি করে দিয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা বলেন, “উচ্চকক্ষে কারা যাবেন তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে।”
নির্বাচনী প্রচারণার সময় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। এখন উচ্চকক্ষে তাঁর প্রবেশ সেই রাজনৈতিক লড়াইকে নতুন মাত্রা দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...