দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.১৩ শতাংশ, যা ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৩০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম হওয়ায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ। পড়ুন বিস্তারিত।
দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস আরও বাড়ছে। সদ্য বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। জানুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবিএসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খাদ্যের দাম। এ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা গত জানুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। অর্থাৎ মাছ, মাংস, চাল ও সবজির মতো নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়ছে।
অন্যদিকে, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াতের মতো খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০১ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো মানুষের আয় বা মজুরি বাড়ার হার। বিবিএস জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৬ শতাংশ। এর অর্থ হলো—পণ্য ও সেবার দাম যে হারে বাড়ছে (৯.১৩%), মানুষের আয় সেই হারে বাড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দিন দিন কমছে এবং জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যে পণ্য কিনতে ১০০ টাকা লাগত, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একই পণ্য কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১০৯ টাকা ১৩ পয়সা। গত তিন বছর ধরেই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই প্রবণতা বজায় রয়েছে। এর আগে সবশেষ গত বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ঘর অতিক্রম করেছিল (৯.০৫%)।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...