কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। হাসনাত আব্দুল্লাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে গেল। আপিল বিভাগ তাঁর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দেওয়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না তিনি। এর ফলে এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য মাঠ কার্যত অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেল।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা মুন্সীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করলেও তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগ আনেন এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট রিট খারিজ করলে তিনি আপিল বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে সর্বোচ্চ আদালতের আজকের আদেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ তাঁর জন্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেল।
একই দিনে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের দুই বিএনপি প্রার্থীর বিষয়েও রায় দিয়েছেন আদালত।
মোবাশ্বের আলমের জয়: এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার প্রার্থিতা নিয়ে আপিল বিভাগের কোনো বাধা নেই। আদালত তাঁর আবেদন গ্রহণ করায় তিনি নির্বাচনে লড়তে পারছেন।
গফুর ভূইয়ার বিদায়: তবে একই আসনের আরেক বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর ভূইয়ার ভাগ্য সহায় হয়নি। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনিও নির্বাচনি প্রতিযোগিতার বাইরে থাকছেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহর আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, “আপিল বিভাগ আজ ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে আসার গত আড়াই দশকের চর্চার কবর রচনা করেছেন। এটি একটি ঐতিহাসিক রায়।” এর ফলে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির কোনো বৈধ প্রার্থী রইল না।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...