নিউজ টাইম
২ জানুয়ারী, ২০২৬ দুপুর ০৪:০৮

মেঘনায় ডু‌বল ৩০০ টন লবনবাহী ট্রলার
মেঘনায় ডু‌বল ৩০০ টন লবনবাহী ট্রলার

ভোলার মেঘনা নদীতে জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ টন লবণবাহী ট্রলারডুবি। ঘনকুয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটলেও জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৭ আরোহী। ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

ভোলার তুলাতুলি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ টন লবণবোঝাই একটি বড় ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ঘনকুয়াশার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রলারটি ডুবে গেলেও এতে থাকা ৭ আরোহী অলৌকিকভাবে জীবিত রক্ষা পেয়েছেন।


ডুবে যাওয়া ‘এমভি দিলোয়া-৩’ নামক ট্রলারের মাঝি মো. বেলাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে ৩০০ টন লবণ বোঝাই করে তাঁরা খুলনার জেলখানা ঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ভোলার তুলাতুলি এলাকার ইলিশ বাড়ি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে পৌঁছালে চারদিক ঘনকুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জাহাজ ট্রলারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।


ধাক্কায় ট্রলারে পানি ঢুকতে শুরু করলে মাঝিরা দ্রুত ট্রলারটি তীরের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তীরের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই লবণসহ ট্রলারটি পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা ৭ আরোহী তাঁদের সাথে থাকা ছোট একটি নৌকায় করে নিরাপদে তীরে উঠে আসতে সক্ষম হন।


ট্রলার মালিক ও শ্রমিকদের দাবি, ট্রলার ও লবন মিলিয়ে এই দুর্ঘটনায় তাঁদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লবণের পুরোটাই নদীর পানিতে মিশে যাওয়ায় তা উদ্ধারের আর কোনো সম্ভাবনা নেই।


খবর পেয়ে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের একটি দল এবং ইলিশা নৌ থানার পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ইলিশা নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় নৌ পুলিশের একটি দল তদন্ত শুরু করেছে।

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ...
  • ৬৯

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

logo

প্রকাশক :

কাউসার আহমেদ অপু
যোগাযোগ করুন

অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯

ই-মেইল : info@newstime.net

আমাদের অনুসরণ করুন
২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...