1ef41a04-0e40-44ac-8c99-5303a719e024.webp
নিউজ টাইম
১৪ জুন, ২০২৬ দুপুর ০৩:৫৩

কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী

রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

ঢাকার রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি চাঞ্চল্যকর মামলায় দেশের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছে আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত শুনানি শেষে রবিবার (১৪ জুন) এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করে।


আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ আদালতের


এর আগে গত ৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা ফাহিমকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে একটি লিখিত আবেদন পেশ করেছিলেন। ওই দিন আদালত আসামির সশরীরে উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজকের দিন অর্থাৎ ১৪ জুন ধার্য করেছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের সংশ্লিষ্ট আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।


পুলিশের করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার গভীর তদন্তকালে এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদের সাথে আর এস ফাহিম চৌধুরীর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। রাষ্ট্রবিরোধী এই মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো জরুরি প্রয়োজন।


মামলার মূল এজহার অনুযায়ী, আর এস ফাহিম চৌধুরী একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সংগঠনটির অন্যতম অর্থ জোগানদাতা। এজহারে বলা হয়েছে, মামলার এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সংহতি ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করাসহ জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রমনা পার্ক এলাকায় একটি গোপন বৈঠকে অংশ নেন। পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় রমনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৯ মার্চ ঢাকার মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে ফাহিমকে আটক করে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গুলশান থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ১
  • ...
  • ১০৩

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...