1ef41a04-0e40-44ac-8c99-5303a719e024.webp
নিউজ টাইম
২ নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ০৬:১১

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশ দিয়ে খাদ্যসামগ্রীভর্তি একটি ছোট গাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক ফিলিস্তিনি শিশু। ফাইল ছবি
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশ দিয়ে খাদ্যসামগ্রীভর্তি একটি ছোট গাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক ফিলিস্তিনি শিশু। ফাইল ছবি

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর রক্তক্ষয়ী ও নারকীয় হামলা কোনোভাবেই থামছে না। প্রতিনিয়ত ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা বর্ষণে প্রাণ হারাচ্ছেন অগণিত নিরীহ ফিলিস্তিনি। সবশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ৬০৯ জনে পৌঁছেছে।

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে নতুন করে অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া পূর্ববর্তী বিভিন্ন হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে আরও দুই ফিলিস্তিনির মরদেহ।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি নামমাত্র ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলা বা নিহতের ঘটনা বন্ধ হয়নি। এই সময়সীমার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫৯৩ জন ফিলিস্তিনি নতুন করে নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৫ হাজার ৭৪৮ জন। একই সাথে এ সময়ের মধ্যে বোমার আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়া বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও ৮৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।


বিবৃতিতে আরও যোগ করা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের চালানো দীর্ঘস্থায়ী ও নৃশংস গণহত্যামূলক যুদ্ধে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৬০৯ জনে। এছাড়া দীর্ঘ এই যুদ্ধ ও হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭২ জন ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

আরও সংবাদ
দেখানো হচ্ছে ১ থেকে ১২ পর্যন্ত ফলাফল
  • ১
  • ...
  • ১০৬

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *

২০২৪-২০২৬ নিউজ টাইম- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Creating Document, Do not close this window...